চাল পাচারের অভিযোগে চেয়ারম্যানের বাড়িতে ভাংচুর

নিজস্ব প্রতিবেদক

চাঁদপু্রে ত্রাণের চাল চুরি ও পাচারের অভিযোগ ইউপি চেয়ারম্যানের বাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা ও ব্যাপক ভাংচুর করেছে স্থানীয়রা।

এ সময় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদককে বেধড়ক মারধর করে বিক্ষুব্ধ জনতা।

বুধবার রাত ১০টায় সদরের কল্যাণপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান সাখাওয়াত হোসেন রনি পাটোয়ারীর বাড়িতে এই হামলার ঘটনা ঘটে।

উত্তেজনাকর অবস্থায় রাতে সদর মডেল থানার ওসি মো. নাসিমউদ্দিন ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কানিজ ফাতেমা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেন।

এলাকাবাসীর দাবি, চেয়ারম্যান সাখাওয়াত হোসেন রনি পাটোয়ারী ত্রাণের ৩৫ বস্তা চাল নিজ বাড়িতে লুকিয়ে রেখে পরে পাচারের চেষ্টা করেছেন।

কল্যাণপুর ইউনিয়নের দাসাদী গ্রামের বাসিন্দা সুমন হাওলাদার, জাকির, শাখাওয়াত, রাজন, সুমন পাটওয়ারী, জসিম খান জানান, ইউনিয়নের অসহায় ও দুঃস্থদের মধ্যে বিতরণের জন্য উপজেলা পরিষদ থেকে ৬ মেট্রিন টন ত্রাণের চাল বরাদ্দ দেয়া হয়। কিন্তু কিছু বিলি করার পর চেয়ারম্যান ৩৫ বস্তা চাল লুকিয়ে রাখেন। রাতের আঁধারে একটি মিনি ট্রাকযোগে পাচার করার চেষ্টা করেন। পথে ট্রাকভর্তি ত্রাণের চাল দেখে লোকজন তা আটকে রেখে পুলিশে খবর দেয়। এরপর গ্রামের কয়েকশ বাসিন্দা চেয়ারম্যান রনি পাটওয়ারীর বাড়িতে গিয়ে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর করে। এসময় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও রনি পাটওয়ারীর সহযোগী সফিকুল ইসলাম সফুকে বিক্ষুব্ধ জনতা বেধড়ক মারধর করে।

তবে চেয়ারম্যান রনি চাল পাচার করেননি দাবি করে সদর উপজেল নির্বাহী কর্মকর্তা কানিজ ফাতেমা বলেন, ত্রাণের ছয় টন চালের মধ্যে পাঁচ টন চাল আগেই বিলি হয়ে গেছে। বাকি এক টন চাল চেয়ারম্যান তার বাড়ির অস্থায়ী কার্যালয়ে নিয়ে রাখেন, যা আজ বৃহস্পতিবার দুস্থদের মাঝে বিলি করার কথা ছিল। চাল পাচারের কোনো ঘটনা ঘটেনি।

এ ব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যন সাখাওয়াত হোসেন রনি পাটোয়ারীর সঙ্গে যুগান্তরের পক্ষ থেকে অনেকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তিনি তাতে সাড়া না দেয়ায় তার বক্তব্য জানা যায়নি।

জার্নাল বাংলা/সাবা

Facebook Comments
আরো পড়ুন
error: Content is protected !!