রাজশাহীতে দুই হাজার প্রবাসী সম্পর্কে প্রশাসনের কাছে তথ্য নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক

জ্বর-সর্দি-কাশি ও শ্বাসকষ্টসহ করোনার উপসর্গ নিয়ে আরও ১২ রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। রামেক হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. সাইফুল ফেরদৌস বলেন, বুধবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত পাঁচজনকে মিশন হাসপাতালে, তিনজনকে সংক্রমক ব্যাধি (আইডি) হাসপাতালে এবং চারজনকে রামেক হাসপাতালের পর্যবেক্ষণ ওয়ার্ডে রাখা হয়েছে। তাদের নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা করা হবে। এছাড়া জেলায় সংক্রমিত শনাক্ত আটজন (পুঠিয়ায় চার, বাঘায় এক, বাগমারায় এক ও মোহনপুরে একজন) ভালো আছেন। তাদের সাতজন হোম আইসোলেশনে এবং একজন সংক্রামক ব্যাধি (আইডি) হাসপাতালে আইসোলেশনে রয়েছেন।

অন্যদিকে করোনা মোকাবিলায় প্রবাস ও দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা ব্যক্তিদের হোম কোয়ারেন্টাইন করা হচ্ছে। ১৪ দিন পূর্ণ হলে তারা পাচ্ছেন ছাড়পত্র। গত ১ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত জেলায় ১ হাজার ২৬৭ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন। তবে সরকারি তথ্য মতে, গত ১ মার্চ থেকে জেলায় বিদেশ প্রত্যাগত ব্যক্তির সংখ্যা ২ হাজার ৯৫৯ জন। বাকী প্রায় দুই হাজার প্রবাসী সম্পর্কে প্রশাসনের কাছে কোনো তথ্য নেই।

অন্যদিকে রাজশাহীতে ১০টি সরকারি চিকিৎসা কেন্দ্রের ১১৫টি বেড, ১৬ জন ডাক্তার ও ১৩ জন নার্সকে করোনা চিকিৎসার জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ৫ হাজার ৩৫৭ সেট ব্যক্তিগত সুরক্ষা সামগ্রী (পিপিই) এবং প্রয়োজনীয় জরুরি ওষুধ মজুত রয়েছে। ইতোমধ্যে ৩ হাজারর ৩৪৭ সেট পিপিই চিকিৎসা সংশ্লিষ্টদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে বলে জেলা প্রশাসক আব্দুল হামিদ জানিয়েছেন।

তিনি আরও জানান, করোনা সংক্রমণ মোকাবিলায় জেলার কর্মহীন ২ লাখ ৪১ হাজার ৬০টি পরিবারে ২ হাজার ১৫২ মেট্রিক টন খাদ্যসামগ্রী এবং ৮৮ লাখ ৫৩ হাজার ৯৩১ নগদ অর্থ সহায়তা দেয়া হয়েছে। আরও ৪৪ মেট্রিক টন খাদ্যসামগ্রী ও ৫ লাখ ১ হাজার ৬৯ নগদ অর্থ মজুত রয়েছে। এছাড়া সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিত এবং অসাধু বিক্রেতা বা ব্যবসায়ীদের দ্রব্য মূল্যের বৃদ্ধি রোধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হচ্ছে।

জার্নাল বাংলা/অর্ণব

Facebook Comments
আরো পড়ুন
error: Content is protected !!