ধর্ষণে অভিযুক্ত যুবকের আত্মহত্যা

জার্নাল বাংলা ডেস্ক

পঞ্চগড় সদর উপজেলার অমরখান ইউনিয়নের সোনারবান বাঁশবাড়ি এলাকায় গ্রাম্য শালিসে শিশু ধর্ষণের অভিযোগ তুলে শরিয়তি পদ্ধতিতে খয়রুল ইসলাম (১৭) নামে এক দিনমজুর যুবককে মারধর করা হয়েছে।

শালিস শেষ হলেই বাড়ি ফিরে ওই যুবক ক্ষোভে ও অপমানে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁসি দিয়ে আত্মহত্যা করে। গেল বৃহস্পতিবার রাতে স্থানীয় মসজিদের সামনে এই শালিস অনুষ্ঠিত হয়।

সাজানো ঘটনায় শালিসের মাধ্যেমে ওই যুবককে শরিয়তি পদ্ধতিতে মারধর করা হয়েছে দাবি করে তার পরিবারের পক্ষ থেকে সদর থানায় আত্মহত্যায় প্ররোচণাকারীদের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে। শুক্রবার দুপুরে ওই যুবকের মরদেহ ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে পুলিশ।

ভুক্তভোগীরা জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে সোনারবান বাঁশবাড়ি মসজিদের সামনে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে খায়রুল ইসলাম নামে ওই দিনমজুরকে বাড়ি থেকে ধরে এনে গ্রাম্য শালিসের মাধ্যমে শরিয়তি পদ্ধতিতে বাঁশের কয়েকটি একত্র করে মারধর করা হয়। শালিসে অমরখানা ইউনিয়নের পাঁচ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি কদম আলী, ৩, ৫, ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা সদস্যের স্বামী আক্কাস আলী, বাঁশবাড়ি মসজিদ কমিটির সভাপতি কিতাব আলী, সাধারণ সম্পাদক জাকের খাঁ, আবু খয়ের ও দেলোয়ার হোসেনসহ বেশ কয়েক স্থানীয় প্রভাবশালী উপস্থিত ছিল।

পরে ক্ষোভে অপমানে ওই যুবক বাড়ি ফিরে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁসি দিয়ে আত্মহত্যা করেন।

Facebook Comments
আরো পড়ুন
error: Content is protected !!