চট্টগ্রামে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জরিমানা

নিজস্ব প্রতিনিধি

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে চট্টগ্রাম মহানগরীতে ধারাবাহিকভাবে চলছে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান। একই অভিযানে দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতিরোধকল্পেও কাজ করছেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ। রবিবার নগরীতে ৫০ হাজার ৩০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

এই বিষয়ে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাসুদুর রহমান জানান, নগরীর আকবরশাহ, হালিশহর, পাহাড়তলী ও ডবলমুলিং থানা এলাকায় সামাজিক দূরত্ব বজায় না রাখা এবং বাজারে দ্রব্যমূল্য টাঙিয়ে না রাখার অভিযোগে নির্বাহী ম্যাজিস্টেট আশিক-উর-রহমান তিন মামলায় তিন হাজার টাকা জরিমানা করেন।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুশফিকীন নূর অভিযান পরিচালনা করেন পাচলাইশ, খুলশী, বায়েজিদ ও চান্দগাঁও থানায় এলাকায়। সেখানেও অভিন্ন অভিযোগে ৬ মামলায় সাত হাজার ৮০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস.এম. আলমগীর অভিযান পরিচালনা করেন বন্দর, ইপিজেড ও পতেঙ্গা থানায় এলাকায়। সেখানে দুটি মামলায় এক হাজার ৩০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। সেখানে ৬০ বছর বয়স্ক এক বৃদ্ধ মারা যান কিডনি রোগাক্রান্ত হয়েছে। সেই বৃদ্ধের করোনা পরীক্ষার ফল নেগেটিভ ছিল। বৃদ্ধের দাফন কাজে নির্বাহী ম্যাজস্ট্রেট, সেনাসদস্য ও পুলিশ সহযোগিতা করেন।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিজানুর রহমান চকবাজার, বাকলিয়া, সদরঘাট ও কোতোয়ালী থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে পাঁচটি মামলায় পাঁচ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা আদায় করেন।

দেশের বৃহৎ ফলের আড়তে মাল্টার দাম নিয়ন্ত্রণে আছে কি না সেই বিষয়ে খোঁজ নিতে অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল ইসলাম। এখানে প্রতি কেজি মাল্টা ১০০ টাকা পাইকারীতে বিক্রির তথ্য পেয়ে কোনো জরিমানা আদায় করা হয়নি।

নির্বাহী ম্যাজিস্টেট গালিব চৌধুরী অভিযান পরিচালনা করে ১৩ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা আদায় করেন। এ ছাড়া নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আলী হাসান ১৬টি মামলায় ১৬ হাজার ১০০ টাকা এবং কাজী তাহমিনা সারমিন পাঁচ মামলায় তিন হাজার ১০০ টাক জরিমানা আদায় করেন।

Facebook Comments
আরো পড়ুন
error: Content is protected !!