ঝিনাইদহে পথচারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে ‘নোয়ালতা’

আশাদুজ্জামান সোহাগ, ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহের হরিনাকুন্ডু উপজেলার সোনাতনপুর গ্রামে এটির অবস্থান। দেশীয় উদ্ভিদ হিসেবে বাংলাদেশের কোথাও পুরাতন ও এতো প্রকান্ড লতা গাছ আর নেই।

বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, মায়ানমার ও দক্ষিনপূর্ব এশিয়ায় নোয়ালতা গাছ পাওয়া যায়। সাধারণত নদী, খাল ও পতিত জমিতে নোয়ালতা গাছ হয়।

২০১৩ সালে ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসনের সহায়তায় লতা গাছের গবেষক অধ্যাপক আখতারুজ্জামান চৌধূরী নোয়া লতা গাছটির পরিচয় নিশ্চিত করে সোনাতনপুর গ্রামে ফলক উন্মোচন করেন।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, লতা গাছটির বয়স কমপক্ষে তিনশ’ বছর। ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ডাকবাংলা থেকে সোনাতনপুর বাজার পর্যন্ত গ্রামীন মেঠো রাস্তার পাশে নবগঙ্গা নদীর ধারে একটি বিরাট বটবৃক্ষ জুড়ে এই লতা গাছের রাজত্ব। বিস্ময়কর লতা গাছটির বেড় আট ফুট এবং লম্বা কয়েক’শ ফুট। প্রকান্ড ও মহিরুহ হয়ে লতা গাছটি একটি বৃহৎ বটগাছ জুড়ে আছে। প্রতিদিন শতশত মানুষ লতাগাছটি দেখতে ভিড় করেন।

লতা গাছটির গবেষক ঢাকা সরকারি বাংলা কলেজের সহকারী অধ্যাপক ও বিপন্ন উদ্ভিদ প্রাণী সংরক্ষণ ফাউন্ডেশনের সেক্রেটারী আখতারুজ্জামান চৌধুরী। তিনি জানান, লাতা গাছটির বাংলা নাম ‘নোয়ালতা’। ইংরেজী নাম ‘Hog Creeper’। আর বৈজ্ঞানীক নাম Derris Scandens। গাছটি লিগু মিনোসি পরিবারের অন্তর্ভুক্ত।
সুবৃহৎ এই লতা গাছটির অস্তিত্ব পৃথিবীতে মাত্র দুই জায়গাতেই বর্তমানে বিদ্যমান রয়েছে।

জার্নাল বাংলা/সাবা/ সোহাগ

Facebook Comments
আরো পড়ুন
error: Content is protected !!