নেত্রকোণায় শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার কথা স্বীকার করল ধর্ষক

জার্নাল বাংলা ডেস্ক

নেত্রকোণার বারহাট্টায় ১০ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলার অজ্ঞাত পরিচয় হোতাকে ঘটনার চারদিনের মাথায় গ্রেপ্তার ও আদালতে সোপর্দ করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির নাম সুলতান (২৫)। সে উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামের আব্দুল রাশিদের ছেলে। সুলতান মঙ্গলবার বিকালে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি প্রদান ও দোষ স্বীকার করেছে।

গ্রেপ্তারের পর সুলতান পুলিশকে জানায়, তার বাড়ি মনির আসা-যাওয়ার পথে একটি জঙ্গলের পাশে। বৃহস্পতিবার তার স্ত্রী বাড়ি ছিল না। তালেব আলীর কাছে পড়া শেষে বাড়ি ফেরার সময় সে মনিকে জোর পূর্বক তুলে বসতঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে। ঘটনার কথা প্রকাশ করে দিতে পারে এই ভেবে সে মনিকে শ্বাস রোধ করে হত্যা ও লাশ দিন শেষে রাতের বেলা মান্দারতলা গ্রামের আব্দুল রেজাকের বাড়ির বাঁশঝাড়ের গর্তে ফেলে রাখে।

জানা যায়, উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের লামাপাড়া গ্রামের মন্নাফের মেয়ে মনি আক্তার (১০) গত বৃস্পতিবার সকালে নিকটবর্তী নয়াপাড়া গ্রামের তালেব আলীর (৭০) বাড়িতে প্রাইভেট পড়ে ফেরার পথে নিখোঁজ হয়। শুক্রবার সকালে পুলিশ নয়াপাড়ার পাশ্ববর্তী মান্দারতলা গ্রামের জনৈক আব্দুল রেজাকের বাড়ির বাঁশঝাড়ের গর্ত থেকে তার লাশ উদ্ধার করে। এই ঘটনায় মনির পিতা আব্দুল মন্নাফ বাদি হয়ে বারহাট্টা থানায় আসামী অজ্ঞাত পরিচয় উল্ল্যেখ একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।

মিজানুর রহমান বলেন, পরিকল্পনা মাফিক তদন্ত চালিয়ে এবং আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রথমে সুলতানের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। তারপর সোমবার রাতে তাকে তার শ্বশুর বাড়ি উপজেলার দশদার এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। সুলতান বিবাহিত এবং মাঝে মাঝে রিক্সা চালায়। তাকে মঙ্গলবার আদালতে হাজির করা হয়। সে আদালতে ১৬৪ ধারায় প্রদত্ত জবানবন্দিতে মনিকে ধর্ষণ ও হত্যার কথা স্বীকার করেছে।

Facebook Comments
আরো পড়ুন
error: Content is protected !!