যুক্তরাষ্ট্রের ২৫ শহরে কারফিউ দিয়েও থামানো যাচ্ছে না বিক্ষোভ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রে গেল সপ্তাহে শ্বেতাঙ্গ পুলিশের হাতে নির্মমভাবে খুন হন এক কৃষ্ণাঙ্গ যুবক। এরপর থেকে বর্ণবাদ বিরোধী বিক্ষোভ শুরু হয়ে দেশটির বিভিন্ন রাজ্যে। বিপরীতে দেয়া হয় কারফিউ। যদিও কারফিউ ভেঙে রাস্তায় নেমেছেন হাজারো মানুষ।

বার্তা সংস্থা সিএনএন জানাচ্ছে, ১৬টি অঙ্গরাজ্যের ২৫ শহরে জারি করা হয়েছে কারফিউ। এরমধ্যে রয়েছে, ক্যালিফোর্নিয়ার বেভার্লি হিলস, লস অ্যাঞ্জেলেস, কোলোরাডোর ডেনভার, ফ্লোরিডার মায়ামি, জর্জিয়ার আতলান্তা, ইলিনোইসের শিকাগো, কেনটাকির লৌইসিভিল, মিনেসোটার মিনেপোলিস, সেন্ট পল, ওহিওর সিনসিনাটি, ক্লেভারল্যান্ড, কলোম্বাস, ডায়টন, টলেডো, ওরিগন ইউজিন, পোর্টল্যান্ড, পেনিসিলভানিয়ার ফিলাডেলফিয়া, পিটসবার্গ, টেনেসির ন্যাশভিল, উথার সল্টলেক সিটি, ওয়াশিংটনের সিটেল, উইসকোনসিনের মিলওয়াউকি শহর।

শনিবার বিক্ষোভকারীরা রাস্তায় নেমে পুলিশের গাড়ি জ্বালিয়ে দিয়েছে। করোনায় আক্রান্ত ও মৃতের তালিকায় সবার উপরে থাকা দেশটিতে সামাজিক দূরত্ব পালন না করেই রাস্তায় নেমে পড়েছে অনেকেই। যাদের মুখে নেই কোনও মাস্কও।

বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে এদিন রাবার বুলেট ছোড়া হয় পুলিশের পক্ষ থেকে। যদিও এতে পাত্তা দিচ্ছে না তারা। এই অস্থিরতা সামাল দিতে অধিকাংশ প্রদেশের গভর্নর রোববার থেকে সেনাবাহিনীর উইং ন্যাশনাল গার্ড নামানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

কৃষ্ণাঙ্গ ব্যক্তিকে শ্বাসরোধ করে হত্যার ঘটনায় জড়িত পুলিশ কর্মকর্তাকে ইতোমধ্যে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ‘থার্ড ডিগ্রি হত্যার অভিযোগ’ আনা হয়েছে। বহিষ্কার করা হয়েছে চারজন পুলিশ সদস্যকে।

গেল শুক্রবার মিনেসোটার তদন্তকারীরা ডেরেক চভিন নামে ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে আটক করে। তার বিরুদ্ধে নিরস্ত্র কৃষ্ণাঙ্গ ব্যক্তি জর্জ ফ্লয়েডকে (৪৬)। শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ রয়েছে।

Facebook Comments
আরো পড়ুন
error: Content is protected !!